পিতা-মাতার হক্ব


2017-02-15 16:44:33 85 0

পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের অনেক হক্ব রয়েছে। পিতা-মাতা না হলে আমরা এই পৃথিবীতে আসতে পারতাম না। শিশু কাল হতে শুরু করে জীবনের প্রতি মূহুর্তে পিতা-মাতা আমাদেরকে যেভাবে আদর-যত্ন করে, পৃথিবীর কেউ তা করে না। তাই প্রতিটি সন্তানের উচিৎ পিতা-মাতার হক্ব যথাযথভাবে পালন করা। তা নাহলে কোন ভাবেই জান্নাত ও মুক্তি হাসিল হবে না। তাবলীগের অনেক ভাইয়েরা আছে, তারাও অনেক সময় অসুস্থ পিতা-মাতাকে রেখে চিল্লাহ দিতে চলে যান। এ ধরণের চিল্লাহতে কোন ফল হবে না। অনেকে পীরের মুরিদ হয়েছে, কিন্তু পিতা-মাতাকে ভরণ-পোষন করে না। মনে রাখবেন তারা কোনদিনও কামিয়ামী হাসিল করতে পারবে না। পিতা-মাতার হক্ব পূরণ না করলে, পিতা-মাতা ক্ষমা না করা পর্যন্ত আল্লাহও ক্ষমা করবেন না, যদিও সে রাত ভর তাহাজ্জুদ পড়ে।  দুনিয়াতে মানুষ জান্নাতের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। অথচ তারা জানে না জান্নাত তাদের অতি নিকটে। যেমন- হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

ﺍﻠﺯﻢ ﺮﺠﻠﻬﺎ ﻔﺛﻢ ﺍﻠﺠﻨﺔ


The Public Posts পিতা-মাতার হক্ব


অর্থাৎ “তুমি তোমার মায়ের পায়ের নিচে পড়ে থাক, সেখানেই তোমার জান্নাত।” মা-বাবাকে কষ্ট দিয়ে নামাজ, রোজা করে জান্নাতের আশা করা বোকামী ছাড়া কিছুই নাই। হযরত বায়েজীদ বোস্তামী (রহঃ) মায়ের পাশে সারারাত পানি নিয়ে দাড়িয়ে ছিল। ফলে মা তাঁকে দোয়া করেছিল, তাই তিনি আল্লাহর ওলিতে পরিণত হয়েছেন, এ ঘটনা সকলেরই জানা। তাই ‘দলিলুন আরেফিন’ কিতাবে উল্লেখ আছে ‘মাতা-পিতার’ খেদমত ইবাদত সমতুল্য। হযরত আবু ইসহাক (রহঃ) এর মুরিদ স্বপ্নে দেখলো যে, হযরত আবু ইসহাক (রহঃ) এর দাঁড়ি মুবারকগুলো হীরের টুকরা হয়ে গেছে। মুরিদ সকালে হুজুরের নিকট বললো, আমি রাত্রে এই স্বপ্নটা দেখেছি। হযরত আবু ইসহাক (রহঃ) বরলেন, তুমি ঠিকই দেখেছো। কারণ আমি গতকাল আমার দাঁড়ি মুবারক দিয়ে আমার মায়ের পা দুখানা মুছে দিয়েছি।

পিতা-মাতর খেদমতে আল্লাহর পক্ষ হতে যে কত  বড় নিয়ামত অর্জিত হয়, তা কল্পনাও করা যায় না। পিতা-মাতার খেদমতে যা অর্জন হয়, তা অনেক ইবাদত বন্দেগীতেও অর্জন হয় না। তাই ওলি আল্লাহদের জীবনীতে দেখা যায়, তাঁরা পিতা-মাতার খেদমত ব্যতিত ওলি হতে পারেননি। পিতা-মাতা হলো জান্নাতের চাবি কাঠি। তাই হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

ﻤﻦ ﻗﺑﻞ ﺮﺠﻞ ﺍﻤﻪ ﻔﻜﺎ ﻔﻤﺎ ﻗﺑﻞ ﻋﺗﻳﻪ ﺍﻠﺠﻧﺔ

অর্থাৎ “যে ব্যক্তি মায়ের পায়ে চুম্বন করলো, সে যেন জান্নাতের চৌকাঠে চুম্বন করলো” (তিরমিজী শরীফ)। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন,

ﺍﻠﻭﺍﻠﺪ ﺍﻭﺴﻄ ﺍﺒﻭﺍﺐ ﺍﻠﺠﻨﺔ ﻔﺤﺎ ﻔﻆ ﻋﻠﻰ ﺫﻠﻚ ﺍﻦ ﺷﺌﺕ ﺍﻭ ﺪﻉ

অর্থাৎ “পিতা হচ্ছেন জান্নাতের মধ্যবর্তী দরজা, ইচ্ছা হয় তুমি সেই দরজার হেফাজত কর, অথবা সেচ্ছায় তুমি তা ধ্বংস কর (তিরমিজী শরীফ)।” হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন,

ﻫﻣﺎ ﺠﻨﺘﻚ ﻭﻨﺮﻚ

অর্থ- “তারাই তোমার জান্নাত অথবা জাহান্নাম।” অর্থাৎ পিতা-মাতার খেদমত করলে জান্নাত এবং তাদের অবাধ্য হলে জাহান্নাম। হযরত আবু ইসহাক (রহঃ) এর এক মুরিদ একরাতে স্বপ্নে দেখলো যে, হযরত আবু ইসহাক (রহঃ) এর দাড়ি মুবারকগুলো হীরার টুকরো হয়ে গেছে। মুরিদ সকালে হুযূরের নিকট এসে স্বপ্নের কথা বললো। তখন হযরত আবু ইসহাক (রহঃ) বললেন, তুমি ঠিকই দেখেছো। কারণ আমি গতকাল আমার দাড়ি মুবারক দিয়ে আমার মায়ের পা দুখানা মুছে দিয়েছি। তাই তুমি এ স্বপ্ন দেখেছো। (সুবহানাল্লাহ)

একজন বুজুর্গ বলেন, আমি হজ্ব করতে যাওয়ার পথে হযরত আবু হাযেম মাদানী (রহঃ) এর কাছে গেলাম। তখন তিনি নিদ্রিত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি জাগ্রত হলেন এবং আমাকে বললেন, আমি এখন মহানবী (সাঃ) কে স্বপ্নে দেখলাম। তিনি আমার মারফত আপনাকে বলেছেন যে,“তোমার মায়ের প্রতি খেয়াল কর। হজ্ব করা অপেক্ষা এটাই শ্রেষ্ঠ কাজ।” (সূত্রঃ কাশফুল মাহজুব)

পিতা-মাতা অসুস্থ্য হলে তাঁদের সেবা করা, তাঁদেরকে ভাল পোশাক পরিধান করানো, তাঁদের যেকোন চাহিদা সাধ্যমত পূরণ করার চেষ্টা করা, তাঁদের সাথে সদ্ব্যবহার করা- এগুলো হলো তাঁদের প্রতি সন্তানের দ্বায়িত্ব ও হক্ব। একদা হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলেন, “ইয়া রাসূলাল্লাহ! আল্লাহর নিকট সর্বাপেক্ষা প্রিয় আমল কোনটি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- নির্ধারিত সময়ে নামাজ আদায় করা। তিনি আবার জিজ্ঞেসে করলেন এরপর কোনটি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার কর।” মুসলিম শরীফে বর্ণিত আছে, “একদা একলোক হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললো ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি হিজরত ও জিহাদের অঙ্গিকারে আপনার নিকট বায়াত হতে চাই। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমার পিতা-মাতা কি জীবিত আছে? লোকটি বললো, তাঁরা উভয়েই জীবিত আছেন। তখন হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি যদি আল্লাহর নিকট আজর ও সওয়াব পেতে চাও, তাহলে তুমি তোমার পিতা-মাতার খেদমতে ফিরে যাও এবং তাঁদের সাথে সদ্ব্যবহার কর।” পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার সম্পর্কে আল্লাহ কোরআন শরীফে বলেন,

وَقَضَى رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِنْدَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلَاهُمَا فَلَا تَقُلْ لَهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُلْ لَهُمَا قَوْلًا كَرِيمًا

(ওয়াক্বাদা রাব্বুকা আল্লা তা’বুদু ইল্লা ইয়্যাহু ওয়াবিল ওয়ালিদাইনী হইসানা, ইম্মা ইয়াবলিগান্না ইনদাকাল কিবারা আহাদুহুমা আউকিলাহুমা ফালা তা কুল্লাহুমা উফফিউ ওয়ালা তানহারহুমা ওয়াকুল্লাহুমা ক্বাওলান কারীমা।- বনী ইসরাইল-২৩)

অর্থাৎ “তোমার পালনকর্তা আদেশ করেছেন যে, তাঁকে ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার কর। তাদের মধ্যে কেউ অথবা উভয়েই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়; তবে তাদেরকে ‘উহ’ শব্দটিও বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না এবং তাদের সাথে শিষ্টাচারপূর্ণ কথা বলো।”

একদা এক ব্যক্তি হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে হাজির হয়ে আরজ করলো, “ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার মনে তীব্র বাসনা থাকা সত্ত্বেও আমি জিহাদ করতে অক্ষম, সেই শক্তি ও সামর্থ্য আমার নেই। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার পিতা-মাতা জীবিত আছেন? লোকটি বললো, আমার মা জীবিত আছেন। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যাও তুমি তোমার মায়ের খেদমতে নিয়োজিত থাক; তাহলে তুমি উমরাহ এবং জিহাদের সওয়াব পাবে (তিবরানী শরীফ)।” হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “কোন ব্যক্তি আপন মায়ের দিকে ভক্তির সাথে তাকালে, একটি কবুলিয়াত হজ্বের সওয়াব তার আমলনামায় লেখা হবে। এক সাহাবী আরজ করলো ইয়া রাসুলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি যদি একশত বার তাকাই। আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তাহলে তুমি একশটি কবুলিয়াত হজ্বের সওয়াব পাবে।” (সুবহানাল্লাহ)

হুযুুর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি স্বীয় জীবনের দীর্ঘায়ু ও সচ্ছল জীবিকা কামনা করে, সে যেন পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করে এবং আত্মীয়-স্বজনের হক্ব প্রতিপালন করে।” হাদিস শরীফে আরও বর্ণিত আছে, “যে সন্তান পিতা-মাতার খেদমত কববে, তাকে সু-সংবাদ যে. আল্লাহ তা’য়ালা তাকে দীর্ঘায়ু দান করবেন।” আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতা পাওয়া সত্ত্বেও তাদের খেদমত করে জান্নাত অর্জন করলো না, তার প্রতি ধিক।’ হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে, “এক ব্যক্তি আরজ করলো ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি অনেক বড় পাপ করেছি, আমার জন্য তাওবার কোন সুযোগ আছে? হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন তোমার মা কি জীবিত আছে? লোকটি বললো, না। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার খালা কি জীবিত আছেন? লোকটি বললো, জ্বী হ্যাঁ। তখন হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তোমার খালার খেদমত কর এবং তার প্রতি সদ্ব্যবহার কর” (তিরমিজী শরীফ)। হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে, হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, “যে সন্তান পিতার মৃত্যুর পরেও তার সাথে সদ্ব্যবহার করতে চায়, সে যেন পিতার বন্ধু-বান্ধবের সাথে সদ্ব্যবহার করে।”

যারা পিতা-মাতার সাথে খারাপ আচরণ করে, তাদের মনে রাখা উচিৎ তাদের সন্তানেরাও তাদের সাথে খারাপ আচরণ করবে। তাই ‘মুকাশাফাতুল কুলুব’ কিতাবে বর্ণিত আছে, “যে ব্যক্তি স্বীয় পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করবে, তাহলে তার সন্তান-সন্ততিও তার সাথে সদ্ব্যবহার করবে।” এ সম্পর্কে আমার একটি ঘটনা মনে পড়ে গেল। “আমি তখন উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষে লেখাপড়া করি। একদিন আমাদের প্রিন্সিপাল স্যার মোঃ ইস্রাফিল মিয়া ক্লাসে আসলেন। আমাদেরকে অনেক উপদেশ দেয়ার পরে তিনি বললেন, আমি (প্রিন্সিপাল স্যার) যখন সপ্তম শ্রেণীতে লেখাপড়া করি। তখন এক গ্রীষ্মকালীন সময়ে আমার বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে গেলাম। দুই বন্ধু মিলে আম গাছের নিচে শুয়ে আছি। এমন সময় আমার বন্ধুর মা তাকে বললো তোর বাবা মাঠে লাঙ্গল দিচ্ছে, তাকে খাওয়ার জন্য ডেকে নিয়ে এসো। আমার বন্ধু তখন উচু একটা ডিবির উপর দাড়িয়ে উচ্চ স্বরে বললো , ‘আতু ধ ধ ধ’ (গ্রাম্য ভাষায় কুকুরকে এভাবে ডাকে)। তার বাবা তাকে বললো, কিরে কি হয়েছে? সে বললো মা তোমাকে খাওয়ার জন্য ডাকছে। এরূপ দৃশ্য দেখে আমি বললাম বন্ধু এটা কি ধরণের আচরণ? সে বললো, আব্বাকে আব্বা বলতে আমার লজ্জা করে। এ কথা শুনার পর আমি (প্রিন্সিপাল স্যার) তার নিকট থেকে চলে আসলাম। আর কোনদিন তার সাথে সম্পর্ক রাখিনি। অনেক বছর পরে যখন লেখাপড়া শেষ আমি নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজে শিক্ষাকতা করি। একদিন রাস্তা দিয়ে আসছি, সেখানে একটি ব্রিজ ছিল। ব্রিজ পাড় হতে চলছি, এমন সময় কে যেন পেছন হতে হু হু করে কেঁদে উঠলো। আমি (প্রিন্সিপাল স্যার) পেছনে তাকিয়ে দেখি আমার সেই ছোট বেলার বন্ধু। তার চুল দাড়ি সব পেঁকে সাদা হয়ে গেছে। সে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো, ইস্রাফিল আমি আমার আব্বাকে আব্বা বলে ডাক দেইনি, তাই আজ আমার চারটি সন্তান, তারা কেউ আমাকে আব্বা বলে ডাকে না।”

উপরের বাস্তব ঘটনা হতে আমাদের সকলকে শিক্ষা নিতে হবে। আমাদের সকলকেই পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করতে হবে। তাই যাদের পিতা-মাতা জীবিত আছে, আজই পিতা-মাতার নিকট ক্ষমা চেয়ে নেই এবং তাদের হক্ব আদায় করার যথাযথ চেষ্টা করি। আর যাদের পিতা-মাতা জীবিত নেই, তাদের জন্য দোয়া করবো “রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানি সাগিরা”। এ বিষয়ে আলেম সমাজ, শিক্ষক, তাবলীগ ভাইয়েরা, সুন্নী ভাইয়েরা, ওহাবী ভাইয়েরা, ইসলামী রাজনীতি ভাইয়েরা, পীর সাহেবদের প্রতি আমার সবিনয় অনুরোধ তারা যেন তাদের বক্তৃতায় ও আলোচনায় পিতা-মাতার হক্ব সম্পর্কে ধর্ম বর্ণ জাতি নির্বিশেষে সকলকে সচেতন করেন। আল্লাহ পাক আমাদেরকে পিতা-মাতার প্রতি যে সমস্ত হক্ব আছে, তা সঠিকভাবে আদায় করার তাওফিক দিন। আমিন! ছুম্মা আমিন!!

লেখাটি দ্যা পাবলিক পোস্ট -এ প্রথম প্রকাশিত হয় ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৩

প্রসঙ্গ :
পিতা-মাতার হক্ব

ফেসবুক মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Name*

Web

Email*